পুনর্জন্ম- মুনশি আলিম
পুনর্জন্ম মুনশি আলিম রূপার বিয়েতে না গেলেই যে নয়। চাইনিজ সেন্টার বলে কথা। এসব সেন্টারগুলো আবার খুবই বাণিজ্যিক! টাইম টু টাইম ইন অ্যান্ড আউট! বলতে গেলে একরকম তড়িঘড়ি করেই বের হলাম। রূপার জন্য কয়েটি বই কিনেছি। উপহার হিসেবে বইকেই আমি সর্বাগ্রে রাখি। লিফটের অপেন বাটনে চাপ দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করি। দরজা লক করার মুহূর্তে এক সুন্দরী তরুণী এসে সামনে দাঁড়ায়। আমি দরজার পাশে স্টে বাটন চেপে তাকে জিজ্ঞেস করি নিচে যাবেন? মেয়েটি বিদ্যুৎগতিতে কিছু একটা ভেবে নিল। তারপর মাথা নেড়ে বলল—জি। মাথা নাড়লে আর মুখ দিয়ে জি বলার প্রয়োজ পড়ে না। তবু অতিমাত্রায় বোঝানোর জন্য এটি অনেকটাই চুম্বকীয় কৌশল! আমি চোখেমুখে তাকে ভেতরে আসতে ইশারা করলাম। ইশারা ভাষার কিন্তু মজাই আলাদা। এর ব্যবহার কিন্তু এখনো বিলুপ্ত হয়নি। স্কুল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীমাত্রেই আমার কথার সত্যতা উপলব্ধি করতে পারবে। কেননা, তারাও বন্ধুত্বের বা প্রেমের সূচনালগ্নে ইশারা ভাষায়ই ব্যবহার করে। যাহোক, বঙ্কিমচন্দ্র ‘রচনার শিল্পগুণ’ প্রবন্ধে বলেছেন, “অল্প কথায় কাজ হইলে বে...